পর্দার আড়ালে

সমিতি কিপার লাইট কীভাবে কাজ করে

আপনার এক ট্যাপ থেকে শেষ ফলাফল পর্যন্ত

আপনি একটা সাধারণ পর্দা দেখেন। তার পেছনে কাজ করে একটা গোটা সফটওয়্যার ইকোসিস্টেম — আপনার ডিভাইস আর ইন্টারনেট থেকে শুরু করে সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন কোড, ডাটাবেস, আর সবগুলোকে জোড়া দেওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং সিদ্ধান্ত পর্যন্ত।

যাত্রার ধাপ: আপনি → ডিভাইস → ইন্টারনেট → সার্ভার → অ্যাপ্লিকেশন → ডাটাবেস → ফলাফল

01 স্তর

এক ক্লিক। অনেক স্তর।

আপনি একটা কাজ করেন। সেই এক কাজের পেছনে দশটা আলাদা স্তর একে একে কাজ করে — প্রতিটার নিজের দায়িত্ব, নিজের নিয়ম।

  1. 01আপনার কাজএকটা বোতামে চাপ — "জমা নিন", "রিপোর্ট দেখুন"।
  2. 02ডিভাইসঅ্যাপ বা ব্রাউজার আপনার কাজটাকে একটা অনুরোধে বদলায়।
  3. 03নেটওয়ার্কঅনুরোধটা আপনার ফোন ছেড়ে ইন্টারনেটে রওনা দেয়।
  4. 04নিরাপত্তাপথে যাওয়ার আগে অনুরোধটা এনক্রিপ্ট হয়ে যায়।
  5. 05সার্ভারদূরের একটা কম্পিউটার অনুরোধটা গ্রহণ করে।
  6. 06অ্যাপ্লিকেশনফ্রেমওয়ার্ক ঠিক করে কোন কোডটা এটা সামলাবে।
  7. 07ব্যবসার নিয়মসমিতির হিসাবের নিয়মগুলো এখানে খাটে।
  8. 08ডাটাবেসতথ্য লেখা বা পড়া হয়, নিয়ম মেনে।
  9. 09উত্তরফলাফল গুছিয়ে ফেরত পাঠানো হয়।
  10. 10পর্দাআপনি যা দেখেন — এটাই পুরো যাত্রার শেষ ধাপ।

02 ডিভাইস

সবটা সার্ভারে হয় না — আপনার ডিভাইসও সফটওয়্যার

ফোন বা ব্রাউজার শুধু জানালা নয়। পর্দা আঁকা, তথ্য মনে রাখা, সার্ভারের সাথে কথা বলা — এসবের একটা বড় অংশ আপনার হাতের যন্ত্রেই ঘটে।

ব্রাউজার নিজেই একটা ছোট সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম — সে পাতা আঁকে, তথ্য মনে রাখে, আর সার্ভারের সাথে কথা বলে।

HTML

পাতার কাঠামো — কোথায় শিরোনাম, কোথায় তালিকা, কোথায় বোতাম।

CSS

চেহারা — রং, ফাঁক, মাপ, আর ছোট পর্দায় কী করে সাজবে।

JavaScript

আচরণ — চাপ দিলে কী হবে, পাতা না বদলে কীভাবে নতুন তথ্য আসবে।

Cookie ও Session

আপনি লগইন আছেন কি না, সেটা মনে রাখার উপায়।

Local Storage

ব্রাউজারের নিজের ছোট জমা-ঘর — পছন্দ বা খসড়া রাখা যায়।

রেন্ডারিং

সব মিলিয়ে ব্রাউজার শেষে পর্দায় ছবিটা আঁকে।

03 নেটওয়ার্ক

ঠিকানা লিখলে কী হয়?

আপনি একটা নাম লেখেন। কম্পিউটার নাম চেনে না — সে চেনে সংখ্যার ঠিকানা। মাঝখানে একটা বিশাল ফোনবুক কাজ করে, যার নাম DNS।

  1. somitykeeper-lite.com আপনি যা লেখেন
  2. DNS "এই নামটা কোথায়?"
  3. IP ঠিকানা সার্ভারের আসল ঠিকানা
  4. সার্ভার সেখানেই অনুরোধ যায়
একটু টেকনিক্যাল
ডোমেইন নাম মানুষের মনে রাখার জন্য; কম্পিউটার চেনে সংখ্যার ঠিকানা — IP। DNS হলো সেই অনুবাদক। একটা A record বলে দেয় কোন ডোমেইন কোন IP-তে যাবে। উত্তরটা কিছুক্ষণের জন্য জমা (cache) থাকে, তাই পরেরবার আর খোঁজাখুঁজি লাগে না — এজন্যই DNS বদলালে সবার কাছে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে।

04 নিরাপত্তা

পথটা ঢাকা থাকে

আপনার অনুরোধ ফোন থেকে সার্ভারে যাওয়ার পথে অনেকগুলো যন্ত্র পেরোয়। HTTPS নিশ্চিত করে, পথের কেউ ভেতরের লেখা পড়তে না পারে।

🔓 HTTPS ছাড়া

অনুরোধটা খোলা চিঠির মতো — পথে যে যন্ত্রই থাকুক, সে পড়তে পারে। সদস্যের নাম, টাকার অঙ্ক, পাসওয়ার্ড — সবই।

🔐 HTTPS দিয়ে

একই অনুরোধ সিল করা খামে। পথের কেউ কেবল দেখে যে কিছু একটা যাচ্ছে — ভেতরে কী আছে তা নয়।

সমিতি কিপার লাইটের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ — দুটোই HTTPS-এ চলে যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, সাইট ও API দুটোতেই)

গভীরে দেখুন
সংযোগ শুরুর সময় সার্ভার তার সার্টিফিকেট দেখায় — সেটা একটা স্বীকৃত কর্তৃপক্ষের সই করা, তাই ব্রাউজার বুঝতে পারে সে সত্যিই ঠিক সার্ভারের সাথেই কথা বলছে। এরপর দুই পক্ষ মিলে একটা সাময়িক চাবি ঠিক করে নেয়, আর বাকি পুরো কথোপকথন ওই চাবিতে ঢাকা থাকে। মাঝখানে কেউ তার পেতে বসলেও সে কেবল এলোমেলো বাইট দেখে — টাকার অঙ্ক বা পাসওয়ার্ড নয়।

05 ধারণা

ছবি আর ফাইল কাছ থেকে

ছবি, CSS, JavaScript — এগুলো সবার জন্য একই। তাই এগুলোকে ব্যবহারকারীর কাছাকাছি জমা রেখে দেওয়া যায়, প্রতিবার মূল সার্ভার পর্যন্ত না গিয়ে।

স্ট্যাটিক ফাইল

যে ফাইলগুলো ব্যবহারকারীভেদে বদলায় না — ছবি, ফন্ট, স্টাইল।

Edge

বিভিন্ন দেশে ছড়ানো ছোট সার্ভার, যেগুলো কপি ধরে রাখে।

Cache

একবার এনে জমা রাখা, পরেরবার সেখান থেকেই দেওয়া।

ধারণা (সাধারণ ধারণা — আমাদের স্ট্যাকের দাবি নয়) এটা সাধারণ ধারণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলো। সমিতি কিপার লাইটের লাইভ রেসপন্সে কোনো CDN বা edge সার্ভারের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তাই "আমরা এটা ব্যবহার করি" বলা হয়নি।

06 সার্ভার

সার্ভার আসলে একটা কম্পিউটার

পার্থক্য শুধু এটুকু — এটা কখনো বন্ধ হয় না, ইন্টারনেটে সবসময় হাজির থাকে, আর একসাথে বহু মানুষের অনুরোধ সামলায়।

Operating System ধারণা (সাধারণ ধারণা — আমাদের স্ট্যাকের দাবি নয়)

সব কিছু যার উপর চলে — সাধারণত Linux।

Web Server যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, LiteSpeed)

বাইরের অনুরোধ প্রথমে এখানেই এসে পৌঁছায়।

PHP যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, PHP ^8.3)

যে ভাষায় অ্যাপ্লিকেশনটা লেখা ও চলে।

Laravel যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, Laravel ^13.8)

PHP-র উপরে বসা কাঠামো — রুট, নিরাপত্তা, ডাটাবেস স্তর।

Database যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, MySQL)

সব তথ্য যেখানে সাজিয়ে রাখা।

Storage যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

ফাইল — ছবি, তৈরি হওয়া PDF, ব্যাকআপ।

Security ধারণা (সাধারণ ধারণা — আমাদের স্ট্যাকের দাবি নয়)

ফায়ারওয়াল, সার্টিফিকেট, অনুমতির নিয়ম।

অনুরোধ প্রথমে যেখানে পৌঁছায়

  1. HTTP Request বাইরে থেকে আসা অনুরোধ
  2. LiteSpeed ওয়েব সার্ভার — গ্রহণ করে, পাঠিয়ে দেয়
  3. PHP / Laravel এখানেই আসল কাজ শুরু

ওয়েব সার্ভার নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না — সে দারোয়ান। কোন অনুরোধ কোথায় যাবে তা ঠিক করে, ছবি-ফাইলের মতো সহজ জিনিস নিজেই দিয়ে দেয়, আর বাকিটা অ্যাপ্লিকেশনের হাতে তুলে দেয়। এই প্রকল্পের লাইভ সার্ভারে সেটা LiteSpeed যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, লাইভ রেসপন্স হেডার)

07 অ্যাপ্লিকেশন

Laravel-এর ভেতরে অনুরোধটা যা পেরোয়

একটা স্তরে চাপ দিন — সেখানে ঠিক কী হয় তা দেখুন। প্রতিটা স্তরের কাজ আলাদা, আর একটা স্তর আটকে দিলে পরেরগুলো আর চলে না।

Route

কোন কোড এই অনুরোধটা সামলাবে তা ঠিক করে।

অনুরোধের ঠিকানা দেখে Laravel বেছে নেয় কোন কন্ট্রোলারের কোন কাজটা চলবে। সমিতি কিপার লাইটে ওয়েব পাতার রুট আর অ্যাপের API রুট আলাদা — অ্যাপেরগুলো /api/v1-এর নিচে।

08 রানটাইম

ফ্রেমওয়ার্ক কাঠামো দেয়, আচরণ দেয় কোড

Laravel বলে দেয় জিনিসগুলো কোথায় বসবে। কিন্তু সমিতির কিস্তি কীভাবে গোনা হবে, জরিমানা কখন বসবে — সেটা Laravel জানে না। সেটা লিখতে হয়।

  1. Laravel কাঠামো, নিরাপত্তা, ডাটাবেস স্তর
  2. PHP Runtime কোডটা আসলে যেখানে চলে
  3. অ্যাপ্লিকেশন কোড সমিতির নিজস্ব নিয়ম
  4. ফলাফল একটা অঙ্ক, একটা তালিকা, একটা রিপোর্ট

09 তথ্য

ডাটাবেস এক্সেল নয়

দেখতে সারি-কলামের মতো হলেও কাজটা আলাদা — একসাথে বহু মানুষ লিখলেও গুলিয়ে যায় না, অসম্পূর্ণ লেখা বসতে দেয় না, আর লাখো সারির মধ্যে একটা খুঁজে আনে চোখের পলকে।

organizations সমিতি
  • id
  • name
  • country
users ব্যবহারকারী
  • id
  • name
  • role
members সদস্য
  • id
  • organization_id
  • name
accounts হিসাব
  • id
  • code
  • type
transactions লেনদেন
  • id
  • member_id
  • amount
journal_entries খাতা
  • id
  • debit
  • credit

উপরের টেবিলগুলো ধারণা বোঝানোর উদাহরণ — আসল ডাটাবেসের গঠন, ঘরের নাম বা কোনো তথ্য এখানে দেখানো হয়নি।

সম্পর্ক (Relationship)

সদস্য কোন সমিতির, লেনদেন কোন সদস্যের — টেবিলগুলো একে অপরকে চেনে। তাই এক জায়গায় নাম বদলালে সব রিপোর্টে বদলে যায়।

ইনডেক্স (Index)

বইয়ের নির্ঘণ্টের মতো। লাখো সারির মধ্যে একজন সদস্য খুঁজতে পুরো বই পড়তে হয় না।

ট্রানজেকশন

একটা জমা মানে একাধিক লেখা। মাঝপথে বিদ্যুৎ গেলে অর্ধেক বসে থাকবে না — হয় পুরোটা, নয় কিছুই না।

কনস্ট্রেইন্ট

ভুল তথ্য ঢোকার আগেই আটকে দেওয়ার নিয়ম — যেমন যে সদস্য নেই, তার নামে লেনদেন বসতে পারে না।

ব্যাকআপ

তথ্য হারানোর একটাই উত্তর — আগে থেকে কপি রাখা, আর সেটা ফিরিয়ে আনা যায় কি না তা পরখ করা।

10 মূল

সফটওয়্যারের নিয়মগুলো এখানে থাকে

এটাই সেই স্তর যেটা একটা সাধারণ ফর্মকে সমিতির সফটওয়্যার বানায়। কোনো ফ্রেমওয়ার্ক বা প্যাকেজ এটা দিয়ে দেয় না।

  1. ব্যবহারকারীর ইনপুট একটা অঙ্ক, একটা তারিখ
  2. যাচাই খালি? ঋণাত্মক? ভবিষ্যতের তারিখ?
  3. নিয়ম কিস্তি, জরিমানা, সীমা
  4. হিসাব সুদ, মুনাফা, বকেয়া
  5. অনুমতি এই কাজটা আপনি করতে পারেন?
  6. খাতায় লেখা ডেবিট ও ক্রেডিট, একসাথে
  7. উত্তর নতুন স্থিতি ফেরত

একটা উদাহরণ: সদস্য ৫০০ টাকা জমা দিলেন। অঙ্কটা শুধু কোথাও লিখে রাখলেই হয় না — দেখতে হয় কিস্তি কত ছিল, কোনো কিস্তি বাদ পড়েছে কি না, জরিমানা বসবে কি না, টাকাটা কোন হিসাবে ঢুকল, খাতায় কোন দুটো ঘরে বসবে, আর যিনি এন্ট্রি করছেন তাঁর এই কাজের অনুমতি আছে কি না। এই প্রতিটা সিদ্ধান্তই লেখা কোড।

11 ইঞ্জিনিয়ারিং

আমরা শুধু প্যাকেজ বসাই না। প্রোডাক্ট বানাই।

Laravel ইনস্টল করলে একটা খালি কাঠামো পাওয়া যায় — সমিতির সফটওয়্যার নয়। মাঝের দূরত্বটাই ইঞ্জিনিয়ারিং।

ফ্রেমওয়ার্কভিত — কিন্তু ভিত মানে বাড়ি নয়।
প্যাকেজতৈরি যন্ত্রাংশ, জোড়া লাগানোটা আমাদের।
APIবাইরের সেবার সাথে কথা বলার পথ।
নিজেদের কোডযেটা ছাড়া এটা আর সমিতির সফটওয়্যার থাকে না।
ব্যবসার নিয়মসমিতি আসলে কীভাবে চলে, সেটাই কোডে।
কাস্টমাইজেশনএকেক সমিতির একেক অভ্যাস।
টেস্টিংবদলালে পুরনোটা ভাঙল কি না, তা ধরার জাল।
নিরাপত্তাএকটা ফিচার নয়, প্রতিটা স্তরের অভ্যাস।
ডিপ্লয়মেন্টকোড থেকে সত্যিকারের ব্যবহারকারী পর্যন্ত।
সমিতি কিপার লাইট একটা চলমান প্রোডাক্ট — যেটা সত্যিকারের সমিতি চালায়

12 ফ্রন্টএন্ড

উত্তর এল — এবার পর্দা

সার্ভারের উত্তর নিজে থেকে সুন্দর হয় না। সেটাকে কাঠামো, চেহারা আর আচরণ দিতে হয়।

HTML — কাঠামো

কোথায় শিরোনাম, কোথায় তালিকা, কোথায় বোতাম। এটাই ভিত।

CSS — চেহারা

রং, ফাঁক, মাপ, আর ছোট পর্দায় কী করে সাজবে।

JavaScript — আচরণ

চাপ দিলে কী হবে, ট্যাব বদলালে কী দেখাবে, তথ্য এলে কী নড়বে।

যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত) এই ওয়েবসাইটের পাতাগুলোর CSS ও JavaScript হাতে লেখা — কোনো ভারী UI ফ্রেমওয়ার্ক বা অ্যানিমেশন লাইব্রেরি টানা হয়নি। আপনি এখন যে পাতাটা পড়ছেন, তার পুরো আচরণ কয়েক কিলোবাইটের নিজস্ব কোড।

13 সিমুলেশন

একটা অনুরোধের পুরো যাত্রা

বোতামে চাপ দিন — একটা অনুরোধ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোন কোন স্তর পেরোয় তা ধাপে ধাপে দেখুন। বাস্তবে এই পুরোটা ঘটে এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে।

  1. ব্যবহারকারীর ক্লিক একটা বোতাম চাপলেন
  2. ব্রাউজার / অ্যাপ অনুরোধ তৈরি হলো
  3. HTTPS এনক্রিপ্ট হলো
  4. নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট পেরিয়ে
  5. সার্ভার গন্তব্যে পৌঁছাল
  6. Web Server LiteSpeed গ্রহণ করল
  7. Laravel রুট মিলল
  8. Authentication আপনি কে, যাচাই
  9. Controller কাজ ভাগ হলো
  10. Business Logic সমিতির নিয়ম খাটল
  11. Database তথ্য লেখা/পড়া
  12. ফলাফল অঙ্ক তৈরি
  13. Response উত্তর গোছানো
  14. UI পর্দায় আঁকা

14 মোবাইল

অ্যাপ থেকে একই যাত্রা, অন্য পথে

মোবাইল অ্যাপ পুরো পাতা চায় না — সে চায় শুধু তথ্য। সার্ভার JSON-এ উত্তর দেয়, আর পর্দাটা অ্যাপ নিজেই আঁকে।

  1. মোবাইল অ্যাপ অ্যাপ খোলা আছে
  2. ব্যবহারকারীর কাজ "জমা নিন" চাপলেন
  3. API Request JSON তৈরি হলো
  4. HTTPS টোকেনসহ, এনক্রিপ্টেড
  5. ইন্টারনেট মোবাইল ডেটা / ওয়াইফাই
  6. সার্ভার অনুরোধ পৌঁছাল
  7. Laravel API /api/v1 রুট
  8. Business Logic নিয়ম ও হিসাব
  9. Database খাতায় বসল
  10. API Response JSON উত্তর
  11. মোবাইল অ্যাপ উত্তর পেল
  12. UI আপডেট নতুন স্থিতি দেখাল

সমিতি কিপার লাইটের অ্যাপ Flutter-এ তৈরি যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, app/ ডিরেক্টরি) আর সার্ভারের সাথে কথা বলে /api/v1 দিয়ে, টোকেনভিত্তিক লগইনে যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, Laravel Sanctum)

15 তুলনা

ওয়েব আর মোবাইল — পেছনটা একই

দুটো আলাদা মুখ, কিন্তু নিয়ম, হিসাব আর তথ্য একটাই জায়গায়। তাই অ্যাপে যা দেখবেন, ওয়েবেও ঠিক তাই।

বিষয়ওয়েবমোবাইল অ্যাপ
ইন্টারফেসব্রাউজারইনস্টল করা অ্যাপ
ঢোকার পথঠিকানা লিখেআইকনে চাপ দিয়ে
যোগাযোগHTTPSHTTPS + JSON API
পরিচয়সেশনটোকেন (Sanctum)
পর্দা তৈরিসার্ভার HTML পাঠায়অ্যাপ নিজে আঁকে
ব্যাকএন্ডএকই Laravelএকই Laravel
ডাটাবেসসার্ভারেসার্ভারে (ফোনে শুধু ক্যাশ)
নেট ছাড়াকাজ করে নাজমা রাখা তথ্য দেখা যায়

16 নিরাপত্তা

নিরাপত্তা একটা ফিচার নয়

এটা কোনো একটা বোতাম বা সেটিংস নয় — প্রতিটা স্তরে আলাদা করে ভাবতে হয়। একটা স্তর ফাঁকা থাকলে বাকিগুলো তা ঢাকতে পারে না।

HTTPS / TLS যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

পথে কেউ পড়তে পারে না।

Authentication যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত, Laravel Sanctum)

আপনি কে — টোকেন বা সেশন দিয়ে যাচাই।

Authorization যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

আপনি কী করতে পারেন — সমিতিভিত্তিক অনুমতির নিয়ম।

Validation যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

ভেতরে ঢোকার আগেই তথ্য যাচাই।

অনুরোধ সুরক্ষা যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

ফর্ম টোকেন আর হারের সীমা — একই কাজ বারবার করে চাপ দেওয়া ঠেকাতে।

ডাটাবেস নিরাপত্তা যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

প্রশ্ন আলাদা, তথ্য আলাদা — তাই ইনপুট দিয়ে ডাটাবেস চালানো যায় না।

মুছে ফেলার নিয়ম যাচাই করা (কোডবেস বা লাইভ সার্ভার থেকে নিশ্চিত)

টাকার এন্ট্রি মুছে যায় না — কারণসহ বাতিল হয় আর খাতায় উল্টো এন্ট্রি বসে।

সার্ভার নিরাপত্তা ধারণা (সাধারণ ধারণা — আমাদের স্ট্যাকের দাবি নয়)

ফায়ারওয়াল, আপডেট, সীমিত প্রবেশাধিকার।

ব্যাকআপ ধারণা (সাধারণ ধারণা — আমাদের স্ট্যাকের দাবি নয়)

নিয়মিত কপি — আর সেটা সত্যিই ফেরে কি না তা পরখ করা।

17 বাস্তবতা

কিছু ভাঙলে কী হয়

সফটওয়্যারে ভুল হয় — সব সফটওয়্যারেই হয়। পার্থক্য হলো, ভুলটা ধরা পড়ে কি না, আর ধরা পড়লে কত দ্রুত ঠিক হয়।

  1. অনুরোধ সব স্বাভাবিক
  2. ত্রুটি কিছু একটা ভেঙে গেল
  3. লগ কী ঘটেছিল, লেখা হলো
  4. অনুসন্ধান কখন, কার, কোথায়
  5. ডিবাগিং কারণ খুঁজে বের করা
  6. সমাধান কোড ঠিক করা
  7. টেস্ট আর কিছু ভাঙল না তো?
  8. ডিপ্লয় ব্যবহারকারীর কাছে

কোড লেখা শেষ হলেই কাজ শেষ হয় না। ব্যবহারকারী বাড়ে, ফোন বদলায়, নিয়ম বদলায়, নতুন প্রয়োজন আসে। তাই রক্ষণাবেক্ষণ আলাদা কিছু নয় — ওটাই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সবচেয়ে দীর্ঘ অংশ।

18 প্রক্রিয়া

শেষ পর্দাটা শুধু দৃশ্যমান অংশ

একটা পর্দা তৈরি হওয়ার আগে অনেকগুলো ধাপ পেরোতে হয়। ব্যবহারকারী শুধু শেষ ধাপটা দেখেন।

প্রয়োজন বোঝা আর্কিটেকচার ডাটাবেস ডিজাইন UI / UX কোডিং API টেস্টিং নিরাপত্তা ডিবাগিং অপ্টিমাইজেশন ডিপ্লয়মেন্ট মনিটরিং রক্ষণাবেক্ষণ

19 সমন্বয়

শত উপাদান, এক প্রোডাক্ট

আলাদা আলাদা প্রযুক্তি, আলাদা আলাদা দায়িত্ব। সবগুলো একসাথে ঠিকঠাক কাজ করলে তবেই একটা পর্দা তৈরি হয়।

DNSIPHTTPSTLSLiteSpeedLinuxPHPLaravelMySQLSanctumREST APIJSONFlutterBladeCSSJavaScriptCacheQueueCronStoragePDFSMSPushGitPHPUnitLoggingBackupMigrationDouble Entryনিজেদের কোড
সমিতি কিপার লাইট

20 এই প্রোডাক্ট

তাহলে সমিতি কিপার লাইট আসলে কীভাবে চলে?

এতক্ষণ যা সাধারণভাবে বলা হলো, এবার সেটা এই প্রোডাক্টের নিজের ছবিতে — কোন অংশ কোথায় বসে, আর একটা জমা নেওয়ার অনুরোধ কোন পথে যায়।

  1. সমিতির মালিক / কালেক্টর / সদস্য তিন ধরনের ব্যবহারকারী, তিন রকম অনুমতি
  2. Flutter অ্যাপ · ওয়েব পাতা দুটো আলাদা মুখ, কাজ একটাই
  3. HTTPS প্রতিটা অনুরোধ এনক্রিপ্টেড
  4. LiteSpeed অনুরোধ গ্রহণ করে PHP-তে পাঠায়
  5. Laravel — রুট, middleware, অনুমতি সমিতি, মডিউল, সাবস্ক্রিপশন যাচাই
  6. ডোমেইন সেবা — সঞ্চয়, DPS, লোন, FDR, শেয়ার, প্রকল্প প্রতিটা মডিউলের নিজের নিয়ম
  7. হিসাবের ইঞ্জিন — ডাবল এন্ট্রি প্রতিটা টাকার নড়াচড়া খাতায়
  8. MySQL সমিতিভিত্তিক আলাদা তথ্য
  9. রিপোর্ট · SMS · পুশ · PDF তথ্য থেকে কাজে লাগার জিনিস
  10. আপনার পর্দা শেষে যা আপনি দেখেন

21 স্ট্যাক

প্রযুক্তির দেয়াল

যেকোনো একটাতে চাপ দিন — সেটা কী করে তা লেখা আছে। ব্যাজ দেখে বুঝবেন কোনটা সত্যিই এই প্রকল্পে যাচাই করা, আর কোনটা কেবল ধারণা।

অবকাঠামো

ব্যাকএন্ড

ডাটাবেস

ফ্রন্টএন্ড

মোবাইল

ইঞ্জিনিয়ারিং

নিজেদের ইঞ্জিনিয়ারিং

22 নির্মাতা

এই পুরোটা ভেবে, বানিয়ে তোলা

উপরের প্রতিটা স্তর — আর্কিটেকচার, ডাটাবেস, হিসাবের ইঞ্জিন, API, অ্যাপ আর এই ওয়েবসাইট — একজনের হাতেই ভাবা, নকশা করা ও লেখা।

Mahfuz Akand

Mahfuz Akand

সফটওয়্যার ডেভেলপার

এই পাতায় যা যা ব্যাখ্যা করা হলো — আর্কিটেকচার, ডাটাবেস ডিজাইন, হিসাবের ইঞ্জিন, API, অ্যাপ ও ওয়েব — সবটাই সমিতি কিপার লাইটের জন্য ভেবে, নকশা করে ও লিখে তোলা।

2016সাল থেকে
10+বছরের অভিজ্ঞতা
৪+অ্যাপ তৈরি

ভাবনা ও নকশা

সমিতি আসলে কীভাবে চলে তা বুঝে, সেটাকে সফটওয়্যারের কাঠামোয় নামানো।

আর্কিটেকচার

কোন স্তর কী করবে, কোথায় নিয়ম বসবে, কোথায় তথ্য — সেই সিদ্ধান্তগুলো।

ডাটাবেস ডিজাইন

টেবিল, সম্পর্ক, ইনডেক্স আর হিসাব মেলানোর নিয়ম।

ব্যাকএন্ড ও API

Laravel-এ ডোমেইন সেবা, অনুমতি, ও মোবাইলের জন্য API।

অ্যাপ ও ওয়েব

Flutter অ্যাপের পর্দা, আর এই ওয়েবসাইটের পাতাগুলো।

রক্ষণাবেক্ষণ

টেস্ট, ডিবাগিং, আপডেট — কাজটা রিলিজেই শেষ হয় না।

আপনি একটা পর্দা দেখেন।আমরা দেখি একটা ইকোসিস্টেম।

একটা মাত্র চাপ নেটওয়ার্ক, নিরাপত্তার স্তর, সার্ভার, ফ্রেমওয়ার্ক, অ্যাপ্লিকেশনের নিয়ম আর ডাটাবেস পেরিয়ে আবার ফিরে আসে — আপনি যে ফলাফলটা দেখেন, সেটা হয়ে।

এটাই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।

আর এভাবেই সমিতি কিপার লাইট কাজ করে।

সমিতি কিপার লাইট দেখুন